নারীর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধে দেশে ও দেশের বাইরে সম্মিলিত উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানানো হয়েছে। প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে সংঘটিত লিঙ্গভিত্তিক সহিংসতাসহ (টিএফজিবিভি) নারীর প্রতি বিভিন্ন ধরনের সহিংসতা মোকাবিলায় আইনি সুরক্ষা, সামাজিক সচেতনতা, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং নারীর রাজনৈতিক ও সামাজিক অংশগ্রহণ বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাংলাদেশ ও বিদেশের শিক্ষাবিদ এবং উন্নয়নকর্মীরা।
গত ১৭ অক্টোবর ২০২৬ রাজধানীর উত্তরায় শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজিতে (এসএমইউসিটি) ‘নারীর প্রতি সহিংসতা ও সীমান্তপারের নারীবাদ’ শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তারা এসব কথা বলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সহযোগিতা করে আন্তর্জাতিক নারী অধিকারকর্মী ও গবেষকদের সংহতি নেটওয়ার্ক উইমেন লিভিং আন্ডার মুসলিম লজ (ডব্লিউএলইউএমএল)।
অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ শাহ-ই-আলম। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব শুধু জ্ঞান সৃষ্টি ও বিতরণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; ক্যাম্পাস ও অনলাইন- উভয় ক্ষেত্রেই নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবিক ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সৈয়দ আজিজুল হকও উপস্থিত ছিলেন।
আলোচনায় অংশ নেন কনকর্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক ও ডব্লিউএলইউএমএলের প্রতিষ্ঠাতা হোমা হুডফার, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাষক ও ডব্লিউএলইউএমএলের নির্বাহী পর্ষদের সদস্য মোনা তাজালি, কার্লটন কলেজের সহযোগী অধ্যাপক সামার ফরেস্টার এবং কনকর্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাফিলিয়েট সহকারী অধ্যাপক আফরা জালাবি। আলোচনা সঞ্চালনা করেন এসএমইউসিটির ইংরেজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান মো. শাহরিয়ার তালুকদার। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয় ও ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরাও আলোচনায় অংশ নেন। এ ছাড়া এসএমইউসিটির বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন।





